Home / News / National / রূপগঞ্জে প্রতীকী কাবা বানিয়ে প্রশিক্ষণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড়

রূপগঞ্জে প্রতীকী কাবা বানিয়ে প্রশিক্ষণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড়

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রতীকী কাবা ও মাকামে ইব্রাহিম বানিয়ে পাঁচ শতাধিক হজ যাত্রীকে বিনামূল্যে হজ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। গত ২২ জুন শনিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী লায়ন মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া কারিগরি স্কুল মাঠে এ হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।আর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। এদিকে হজ প্রশিক্ষণের নামে এবারই প্রথম কোনো চিত্র সামনে আসল যেখানে পবিত্র কাবা শরিফের প্রতীকী বানিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা ইসলামিক রিসার্স সেন্টারের মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি আরশাদ রহমানী প্রতীকি কাবা তৈরি ও প্রশিক্ষণ প্রদান স্পষ্ট হারাম বলে জানিয়েছেন।এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কাবা শরিফ পৃথিবীতে একটিই। এমন করে প্রতীকী কাবা তৈরি করে প্রশিক্ষণ দেয়া হারাম।’এদিকে প্রতীকী কাবা বানানো নাজায়েজ কেন এমন প্রশ্নে মুফতি মিযানুর রহমান বলেন, ‘কাবা ঘরের একটি সম্মান রয়েছে। আমরা সেই ঘরের প্রতীকী বানালে কাবা শরিফের প্রতি মানুষের সম্মান কমে যাওয়ার আশঙ্খা রয়েছে।’এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে কতিপয় বেদাতিরা প্রতীকী কাবা বানিয়ে তাওয়াফ করে থাকে এবং তারা বলে এভাবে তাদের হজ আদায় হয়ে যাবে। সেদিকে লক্ষ্য করলেও প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতীকী

কাবা বানানো ফেতনার সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে তা জায়েজ নেই।’এদিকে প্রতীকী কাবা বানিয়ে তাওয়াফ করার জন্য ফেসবুকে এইচ এম আবিদ লিখেছেন, ‘ফাজিলগুলোরে ধইরা পিটানো দরকার।’তাছাড়া আজহার হোসেন লিখেছেন, ‘এই নকল কাবার বিরুদ্ধে সকল মুসলমান ভাইবোনেরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তুলুন। এইটা একটা সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বৈকি অন্য কিছু না।’এদিকে সৈয়দ আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, ‘গত ১৪ শত বছর যাবত সমগ্র পৃথিবী থেকে মানুষ হজ্বে যাচ্ছে, কিন্তু এমন দুঃসাহস কেউ কখনো দেখিয়েছে বলে জানা নেই!’তাছাড়া মো. বেলাল হোসেন লিখেছেন, ‘নতুন করে ফিৎনা আরম্ভ। কিছু দিন পর বলবে তিন লাখ টাকা খরছ করে সৌদিআরব যেতে হবে না, এখানেই

হজ্জ করলে চলবে…..! এখন থেকেই তা প্রতিবাদ করা দরকার। না হয় পরে তার ছড়া মূল্য দিতে হবে।’এদিকে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ লিখেছেন, ‘এসব দুঃসাহস রুখে দেয়া দরকার। ভীন্ন বাহানায় এরকম দৃষ্টতা যে দেখিয়ছে তাকে রুখে দেয়া জরুরি।’এতে মুহাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখেছেন, ‘ইসলাম ধ্বংশের পরিকল্পণা! তাড়াতাড়ি বন্ধ করুন। পরে আফসোস করতে হবে। পরে যা হতে পারে : ১. আমাদের এখানে কাবা থাকতে সৌদি যাব কেন? ২. এখানে প্রাকটিস করলেও আস্তে আস্তে অজ্ঞরা এটাকে বাস্তব মনে করবে। ৩. মূর্তি পূজাও এভাবে চালু হয়েছিল।’তাছাড়া মো. আনোয়ার হোসেন লিখেছেন, ‘আমরা কি নুহ (আঃ) এর কওমের মত পথভ্রষ্টতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি না? যতদুর জানা যায় এভাবেই কিন্তু মুর্তি পূজার সুচনা হয়েছিল। এই ধরনের ইসলামিক পেজে কোন মন্তব্য ছাড়াই এ খবর প্রকাশ করা উচিত হয়েছে বলে মনে হয় না।এতে তাদের ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতাই প্রকাশিত হয়েছে।’

Check Also

রোহিঙ্গা তরুণীকে নিয়ে ধরা খেল ইমান আলী!

নাম তার ইমান আলী। পেশায় একজন দালাল। রবিবার বিকেলে জরুরি সেবার ভিত্তিতে দালাল ইমান আলী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *