Home / News / National / চোখে অপারেশন না হলে, আমি নিজে গিয়ে ধান কাটতাম

চোখে অপারেশন না হলে, আমি নিজে গিয়ে ধান কাটতাম

পৃথীবিতে কোনো কাজ ছোট কাজ নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যদি কেউ কখনও একবার ফুলপ্যান্ট পরে, তবে কী লুঙ্গি পরা যাবে না বা গামছা পরে মাঠে যাওয়া যাবে না এই চিন্তাটা যেন মাথায় না আসে। মানুষকে বলতে হবে, বোঝাতে হবে। প্রয়োজনে সব কাজ করতে হবে।রোববার (২৩ জুন) রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে চলমান ১১০তম, ১১১তম এবং ১১২তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।এসময় প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়চিত্তে বলেন, চোখে অপারেশন না হলে,

আমি নিজেই ধান কাটতে যেতাম। জীবনের প্রয়োজনে সব কাজ করতে হবে। কোন কাজকে ছোট মনে করা যাবে না। কাজ কাজই ছোট বড় মনে করে বসে থাকলে কেউ কখনও জীবনে বড় হতে পারবে না বলে জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মানুষের জীবনকে আলোকিত করে। আমরা সকলকে উৎসাহিত করছি কিন্তু কোনো কাজ যে ছোট কাজ না সেটা মাথায় রাখতে হবে। লেখাপড়া শিখলে ধান কাটতে পারবো না এই মানসিকতা থাকতে পারবে না।তিনি বলেন, খালি বলেন ধান কাটা নিয়ে সমস্যা ধান কাটার লোক পাওয়া যায় না। আমি যখন ছাত্রলীগকে হুকুম দিলাম সবাই লেগে যাও, যার যার এলাকায়। সবাইকে মাঠে গিয়ে ধান কাটতে হবে, শিখতে হবে। যিনি জানেন

এ রকম কৃষককে সঙ্গে নিতে হবে। ধান কাটার একটা নিয়ম আছে।প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে জায়গায় যাবেন খালি চাকরির জন্য চাকরি করা নয়, জনসেবা করা, দেশসেবা করা, দেশকে ভালোবাসা, দেশের মানুষকে ভালোবাসা একথাটা মনে রাখতে হবে। জনগণের প্রতি ভালোবাসা এবং তাদের প্রতি দায়িত্ববোধ- এই চিন্তাটা সব সময় মাথায় থাকলে দেশটাকে সুন্দরভাবে গড়ে গড়ে তোলা অনায়াসে সম্ভব বলেও জানান তিনি।প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাঠ প্রশাসনে যারা কাজ করবেন স্থানীয়

সমস্যাগুলো খুঁজে বের করবেন। জনগণের জন্য কাজ করতে হবে। তারা যেন ন্যায়বিচার পায় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। শুধু গতানুগতিকভাবে দেশ চালালে চলবে না, দেশটাকে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে। দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারলে সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি সমাজটাকে ধ্বংস করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের। এই দিকে যথেষ্ট মনযোগী হবেন।শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশটাকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন বলেই আজ সর্বক্ষেত্রে বাঙালিরাই স্থান করে নিতে পারছে বাঙালিরা যে পারে সেটাই হচ্ছে বড় কথা। তা আপনাদেরই প্রমাণ

করতে হবে।আওয়ামী লীগ সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। যে কারণে আপনারা দেখবেন আওয়ামী লীগ যখন সরকারে আসে তখন কিন্তু দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।১১০তম, ১১১তম এবং ১১২তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের প্রশিক্ষনার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জনপ্রশাসন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমানসহ প্রমুখ।

Check Also

রোহিঙ্গা তরুণীকে নিয়ে ধরা খেল ইমান আলী!

নাম তার ইমান আলী। পেশায় একজন দালাল। রবিবার বিকেলে জরুরি সেবার ভিত্তিতে দালাল ইমান আলী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *